সমাজের আলো।। সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায় নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত এক কিশোরীর বাল্যবিবাহের আয়োজন প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে বিয়ের প্রস্তুতির সত্যতা পাওয়ার পর কিশোরীর পিতার কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে।

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধকর্মী সাকিবুর রহমান বাবলা জানান, শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে কলারোয়া উপজেলার উত্তর ভাদিয়ালী গ্রামে ভাদিয়ালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর পারিবারিকভাবে বাল্যবিবাহের আয়োজন করা হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে জানান। ওই কিশোরীর জন্মসনদ অনুযায়ী বয়স ১৪ বছর ১১ মাস বলে জানা যায়।

বাল্যবিবাহের পাত্র হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিল একই উপজেলার বাকসা (তাঁতীপাড়া) গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে আমির হোসেনকে।

বাল্যবিবাহের আয়োজনের তথ্য পেয়ে কলারোয়া উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয়ের অফিস সহকারী মোখলেছুর রহমান ও আক্তারুল ইসলাম, সোনাবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নাছিমা খাতুন, দফাদার এবাদুল ইসলাম, কয়েকজন গ্রামপুলিশ ঘটনাস্থলে যান।

ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাল্যবিবাহের আয়োজনের সত্যতা পান এবং কিশোরীর বয়স বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ অনুযায়ী বিবাহের উপযুক্ত নয় বলে নিশ্চিত হন। পরে কিশোরীর পিতা বাল্যবিবাহের উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত না হওয়ার অঙ্গীকার করে লিখিত মুচলেকা দেন। ফলে বাল্যবিবাহের আয়োজনটি বন্ধ করা হয়।




Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *