সমাজের আলো।। সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় মালিকবিহীন অবস্থায় জব্দ হওয়া ২৫ বস্তা রাসায়নিক সার সরকার নির্ধারিত মূল্যে প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী,‘আগে আসলে আগে পাবেন’ ভিত্তিতে উপজেলার যে কোনো কৃষক সর্বোচ্চ এক বস্তা করে সার ক্রয় করতে পারবেন।
জানা গেছে,সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভালুকা-চাঁদপুর বাজার সংলগ্ন আশাশুনি-সাতক্ষীরা সড়কের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মালিকানাবিহীন অবস্থায় ২৫ বস্তা সার জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভায় জব্দকৃত সার কৃষকদের মাঝে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিক্রয়ের জন্য নির্ধারিত সারের মধ্যে রয়েছে ১০ বস্তা ইউরিয়া (প্রতি বস্তা ১ হাজার ৩৫০ টাকা),২ বস্তা টিএসপি (প্রতি বস্তা ১ হাজার ৩৫০ টাকা),১০ বস্তা ডিএপি (প্রতি বস্তা ১ হাজার ৫০ টাকা) এবং ৩ বস্তা এমওপি (প্রতি বস্তা ১ হাজার টাকা)।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২১ জুলাই থেকে আশাশুনি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এসব সার বিক্রি শুরু হবে। নির্ধারিত মূল্যে কৃষকরা জাতীয় পরিচয়পত্র বা প্রয়োজনীয় পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে এক বস্তা করে সার সংগ্রহ করতে পারবেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান,কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং জব্দকৃত সার যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে সরকার নির্ধারিত বিধি অনুসরণ করে সার বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।##

